February 22, 2020
  • জমে উঠেছে বইমেলা
  • সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করব: মেয়র তাপস
  • বিএনপি গণমানুষের রাজনীতি করতে ব্যর্থ: তথ্যমন্ত্রী
  • ঢাবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মাতৃভাষা দিবস পালিত
  • ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টোনের ৪০ মাসের জেল
  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ভারতীয় হাই কমিশনারের শ্রদ্ধা
  • চীন ফেরত কারো শরীরেই করোনার অস্তিত্ব মেলেনি
  • বিটিআরসিকে ৫৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করতে প্রস্তুত গ্রামীণফোন
  • সিরীয়-তুর্কি বাহিনীর ব্যপক সংঘর্ষ, ৩৯ সেনা নিহত
  • বিএনপির হরতাল কার্যকর করার শক্তি নেই: শমসের মবিন

জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে

gg11
বাংলার নিউজ ডট কমঃ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

সাত দেহরক্ষী হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে নেয়া হয়।এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জি কে শামীমের বিরুদ্ধে দুই মামলায় ১৪ দিন ও সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

এদিকে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার পৃথক পৃথক রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় এলিট ফোর্স।

শনিবার দুপুরের পর জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় নিয়ে যান র‌্যাব সদস্যরা। সেখানে তাদের রাখা হয়েছে থানা হাজতে।

গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, ‘র‌্যাব তিনটি অভিযোগ দিয়েছে। এর একটি মাদক আইনে, একটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে এবং আরেকটি অস্ত্র আইনে।’

এসব মামলার আসামি হিসেবে জি কে শামীমসহ আটজনকে রিমান্ডে চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) গুলশানের নিকেতনে শামীমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে নগদ প্রায় দুই কোটি টাকা, পৌনে দুইশ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ পাওয়ার কথা জানায় র‌্যাব। তখন শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়।

জুয়ার আখড়া বন্ধে অভিযানের মধ্যে শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি যুবলীগ পরিচয় ব্যবহার করলেও যুবলীগের শীর্ষনেতাদের দাবি, শামীম সংগঠনের কোনো পদে ছিলেন না।

শামীম রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত। গণপূর্ত ভবনে ঠিকাদারি কাজে তার দাপটের খবর ইতোমধ্যে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।

র‌্যাব সদর দফতর, সচিবালয় ও কয়েকটি হাসপাতালের নতুন ভবনসহ অন্তত ২২টি নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজ এখন শামীমের প্রতিষ্ঠান জিকে বিল্ডার্সের হাতে রয়েছে। এসব প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা।

বিভাগ - : আইন ও অপরাধ

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন