July 14, 2020
  • বিশ্বব্যাপী সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৬৫ লাখ ছাড়াল
  • সমুদ্রে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
  • রাজধানীতে বাসায় বাসায় ‘টু লেট’, বিপাকে বাড়িওয়ালারা
  • ঢাকা-টরেন্টো-নিউইয়র্কের আকাশে পাখা মেলবে বিমান
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ২৩৯ গবেষকের চ্যালেঞ্জ
  • এসএসসি-সমমানের ফল প্রকাশ
  • ধাপে ধাপে খোলা হবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
  • জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী
  • সুস্থ হওয়ার ৬ মাস পর আবার আক্রান্ত হতে পারেন করোনায়!
  • ডেল্টা হসপিটালের কাট অফ প্রাইস ১১ টাকা

ইসিতে আ. লীগ-বিএনপির পাল্টা অভিযোগ

pouro
বাংলার নিউজ ডট কমঃ বিক্ষিপ্ত গোলযোগ এবং জালভোটের অভিযোগের মধ্যে বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে, মাধবদীর পুরো পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানের ১৭টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়েছে।

বিভিন্ন পৌরসভায় এসব গোলযোগের জন্য পরস্পরকে দায়ী করে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।

আওয়ামী লীগ বলছে, “বিএনপি প্রার্থীরা ত্রাস সৃষ্টি করেছে”। নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম এ অভিযোগ করেন।

এদিকে কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, “শতাধিক ভোটকেন্দ্র দখল করে ক্ষমতাসীনরা সহিংসতা সৃষ্টি করেছে।”

দলীয় প্রতীকের অনুষ্ঠিত এই ভোটের একদিন আগেও নানা অভিযোগ নিয়ে ইসিতে গিয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ভোটগ্রহণ শেষের আগে ও পরেও তাদের প্রতিনিধি দল পুনরায় ইসিতে যায়।

নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক, আবু হাফিজ, জাবেদ আলী ও মো. শাহনেওয়াজ বড় দুটি দলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিনিধি দল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ইসিতে দুই দফা সাংবাদিকদের সামনে আসে।

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে সাংবাদিকদের সামনে এসে এইচ টি ইমাম বলেন, “পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীরা ত্রাস সৃষ্টি করেছে।”

এ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইমাম বলেন, “অন্তত ১৮টি পৌরসভায় ভোটকেন্দ্র দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিএনপির প্রার্থীরা সহিংসতা ও ত্রাস সৃষ্টি করেছে। দলটি নির্বাচন কমিশনকে হেয় করা এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়েছে।”

ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন কয়েকটি ভোটকেন্দ্র দখল করে সিল মেরেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া কালিয়া, পাথরঘাটা, দুর্গাপুর, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ, ভূয়াপুর, মনিরামপুর, চন্দনাইশ, নালিতাবাড়ী, বাঘারপাড়া, চাটমোহর, ভালুকা, সরিষাবাড়ী, মাধবদী, সীতাকুণ্ড, গাঙনী, মোহাম্মদপুর, নকলায় বিএনপি প্রার্থীরা ‘ত্রাস’ সৃষ্টি করেছে বলে আওয়ামী লীগের অভিযোগ।

বিএনপির মুখপাত্র ফখরুল দলের গুলশানের কার্যালয়ে ইতোমধ্যে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, ‘‘২৩৪টি পৌরসভার মধ্যে ১৫৭টিতে সরকার দলীয় নেতা-কর্মী কর্তৃক কেন্দ্র দখল, জাল ভোট প্রদান এবং বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ আমাদের কাছে আছে। স্থানীয় প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছে অভিযোগ করা হলেও তারা বিষয়টি আমলে নেয়নি।’’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ইমাম বলেন, “২৩৪টির মধ্যে ১৮ পৌরসভায় গোলযোগ হলেই তা বিঘ্নিত হয় না। সার্বিকভাবে মোটামুটি সুন্দর সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।”

আওয়ামী লীগ নেতাদের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব বলেন, “সব কিছু দেখে আমাদের মনে হয়েছে, নির্বাচন কমিশন অসহায়। শতাধিক ভোটকেন্দ্র দখল করে ক্ষমতাসীনরা সহিংসতা সৃষ্টি করেছে।”

মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপর ইসির নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে তার মনে হয়েছে।

আওয়ামী লীগের অভিযোগ প্রসঙ্গে খন্দকার মাহবুব বলেন, “সরকার ক্ষমতায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণে, তারপরও কীভাবে তারা বলে যে আমরা সহিংসতা ‍সৃষ্টি করেছি।”

তিনি বলেন, “ইসি আমাদের আশ্বস্ত করেছিল, তবে আমরা অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েছি। কেন্দ্রীয়ভাবে আমরা নির্বাচন বর্জনের পক্ষপাতী না। তবে সরকারদলীয়দের প্রভাবের কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে হয়ত সরে গেছে।”

বিভাগ - : জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন