December 12, 2018
  • আওয়ামী লীগের প্রার্থী যেসব আসনে
  • সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ২৪২ আসনের প্রার্থীরা
  • মহাজোটের প্রার্থী ছাড়াও জাপার উন্মুক্ত প্রার্থীরা
  • হাইকোর্টে রিটে বৈধতা পেলেন ১১ প্রার্থী
  • সহজ জয়ে বাংলাদেশের সিরিজ শুরু
  • ‘আপিল চলাকালে দণ্ডিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না’
  • নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না খালেদা জিয়া
  • যে ৬ আসনে ইভিএমে ভোট হবে
  • গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার মনোনয়নপত্র দাখিল
  • ইসির সিদ্ধান্ত ইউপি ও পৌর আইনের সাথে সাংঘর্ষিক

সম্পর্ক ভালো রাখতে দূরত্ব বজায় রাখুন

rel
বাংলার নিউজ ডট কমঃ সম্পর্কে থাকা মানে যে একে অপরকে সব সময় চোখের সামনে থাকতে হবে তার কোনও মানে নেই। কিছু সময় একা থাকারও প্রয়োজন আছে। আসলে সম্পর্কে একটা সীমা বজায় রাখা দরকার। একে অপরের সঙ্গে কতটা সময় কাটাবেন, কোন বিষয়গুলি শেয়ার করবেন সেটা ঠিক করা দরকার। আর এই সীমা বজায় থাকলে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। আর একসঙ্গে থাকলেও নিজেদের মধ্যে একটা স্পেস রাখুন। নিজেদের আরও ভালো ভাবে চেনার জন্য এই স্পেটটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। না হলে অনেক চেনা বা জানা জিনিসও যেন কেমন গুলিয়ে যায়। কীভাবে সেই দূরত্ব বজায় রাখবেন তা জেনে নিন…

নিজের সঙ্গে সময় কাটান

কাজের চাপে নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন না। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অফিস তারপর বাড়ির কাজ সবই করছেন। এমনকী স্বামীকেও সময় দিচ্ছেন। কিন্তু, কখনও দিনের শেষে বসে ভেবেছেন সারাদিন নিজের জন্য কী করলেন ? নিজের পছন্দের কোনও কাজ করলেন কি না ? তা হয়তো ভাবেন না। আর অনেকে ভাবলেও সময় বের করতে না পারার অজুহাত দেন। অজুহাত না দিয়ে ব্যস্ত দিনের মধ্যে থেকেও কিছুটা সময় বের করুন। একটু কষ্ট করেই সময় বের করুন। কীভাবে করবেন সেটা আপনার ব্যাপার। আর যে কাজ করতে আপনার ভালো লাগে সেটাই করুন। এভাবে প্রতিদিন কিছুটা সময় নিজের জন্য বের করে দেখুন ভালো লাগবে। তবে সেই সময় পরিবারের কারও কথা ভাববেন না।

প্রাইভেসিকে গুরুত্ব দিন

একে অপরের প্রাইভেসিকে গুরুত্ব দিন। আপনাদের মধ্যে হয়তো কোনও রাখ ঢাক নেই। তা বলে দু’জনের মধ্যে ব্যক্তিগত জিনিস বলে কিছু থাকবে না তার কোনও মানে নেই। যতটা পারবেন একে অপরের ফোনে হাত দেবেন না। আর সব থেকে বড় বিষয় কেউ কারও মেসেজ পড়বেন না। ইন্টারনেটের দৌলতে এখন সেই ছোটোবেলার বন্ধুকেও আমরা সোশাল মিডিয়ায় খুঁজে পাই। আর এভাবেই পুরোনো বন্ধুদের নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি হয়ে যায়। সেই গ্রুপে বন্ধুদের সঙ্গে আপনার কী কথা হচ্ছে বা পরিবারের কোনও সদস্যের সঙ্গে আপনার কী কথা হচ্ছে তা জানার কী দরকার। সেগুলি গোপন করেই রাখুন।
নিজের একটা আলাদা জীবন রাখুন

বিয়ে হয়ে গেছে বা সম্পর্কে রয়েছেন এর মানে এই নয় যে কোথাও যাওয়ার থাকলে সেটা একমাত্র পার্টনারের সঙ্গেই যেতে হবে। তেমন হলে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান, কোথাও একা যেতে পারেন। একইভাবে পার্টনারকেও সব সময় আপনার সঙ্গে সব জায়গাতে যাওয়ার জন্য বাধ্য করবেন না। এটা ঠিক নয়। নিজেদের আলাদা আলাদা জগত তৈরি করুন। দেখবেন এতে ভালো লাগবে। সারাক্ষণ একই মানুষের সঙ্গে কথা বললে পৃথিবী অনেক ছোটো হয়ে যায়। জানার পরিধি কমে যায়। আর একা বাইরে বের হলে পৃথিবীটাকে নিজের মতো করে চেনা যায়। জানা যায়।

কাজ ভাগ করে নিন

বিয়ে করে এসেছেন মানে এই নয় যে ঘরের সব কাজ আপনি করবেন। এটার কোনও মানে নেই। আগেই দু’জনের মধ্যে কাজ ভাগ করে নিন। দেখবেন এতে আপনার চিন্তা অনেকটা দূর হয়ে যাবে।

পার্টনারকে বদলানোর চেষ্টা করবেন না

এটা আমরা প্রায়ই করে থাকি। একটা সম্পর্কে থাকার কয়েকমাস পর থেকেই পার্টনারকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। তার অভ্যেস যেন আমাদের কাছে একেঘেয়ে হয়ে যায়। এটা একেবারেই ঠিক না। যা দেখে সেই মানুষটিকে ভালোবেসে ছিলেন তা পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না।

কিছু জিনিস গোপন রাখুন

অনেকেই বলেন যে স্বামী বা স্ত্রীয়ের মধ্যে কোনও বিষয় চেপে রাখতে নেই। বিভিন্ন ছোটো ছোটো বিষয়ও একে অপরকে জানানো প্রয়োজন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সব জিনিস নিয়ে একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করার কোনও দরকার নেই। কিছু বিষয় গোপন করে রাখা দরকার। বিশেষ করে অতীতে কী করেছেন কেন করেছেন সব বিষয় বলার দরকার পড়ে না। একইভাবে আপনিও পার্টনারের থেকে সব বিষয় জানতে চাইবেন না। কারণ আপনারা দু’জনেই একটা নতুন জীবন শুরু করছেন। তাতে অতীতে কী করেছেন তা জানার খুব একটা প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। বরং এতে সম্পর্কে তিক্ততা বাড়ে।

বিভাগ - : লাইফস্টাইল

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন