December 12, 2018
  • আওয়ামী লীগের প্রার্থী যেসব আসনে
  • সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ২৪২ আসনের প্রার্থীরা
  • মহাজোটের প্রার্থী ছাড়াও জাপার উন্মুক্ত প্রার্থীরা
  • হাইকোর্টে রিটে বৈধতা পেলেন ১১ প্রার্থী
  • সহজ জয়ে বাংলাদেশের সিরিজ শুরু
  • ‘আপিল চলাকালে দণ্ডিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না’
  • নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না খালেদা জিয়া
  • যে ৬ আসনে ইভিএমে ভোট হবে
  • গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার মনোনয়নপত্র দাখিল
  • ইসির সিদ্ধান্ত ইউপি ও পৌর আইনের সাথে সাংঘর্ষিক

যে ৬ আসনে ইভিএমে ভোট হবে

evm111
বাংলার নিউজ ডট কমঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লটারির মাধ্যমে ইভিএমের ছয়টি আসন চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই আসনগুলোর ২১ লাখ ২৪ হাজার ৪১১ জন ভোটার প্রথমবারের মতো যন্ত্রের মাধ্যমে ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সোমবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২, সাতক্ষীরা-২ আসনের ৮০০ কেন্দ্রের প্রায় ৪২৬৭টি ভোটকক্ষে ইভিএমে ভোট হবে।

সিটি করপোরেশন ও জেলা সদর সংশ্লিষ্ট ৪৮টি আসনের মধ্যে ছয় আসন ইভিএম ব্যবহারের জন্য লটারির মাধ্যমে বেছে নেয়া হয়। ইসির সম্মেলন কক্ষে কম্পিউটার প্রোগামের মাধ্যমে এই লটারির কাজটি করেন ইসির সিনিয়র মেনটেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ হোসেন।

তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১% সমর্থন তালিকার মধ্যে যে পদ্ধতিতে (র‌্যানডম স্যম্পলিং) স্বাক্ষর যাচাই করা হয়; একই পদ্ধতিতে ইভিএমের কেন্দ্র বাছাই করা হয়েছে।

হেলালুদ্দীন আহমদ প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেছিলেন, দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে সীমিত পরিসরে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এর মধ্যে মাত্র ছয়টি আসন খুবই নগন্য। পরীক্ষামূলকভাবে শহরাঞ্চলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

৩৫টি রাজনৈতিক দল ও অংশীজনরা এ ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও কেন ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি কমিশনের সিদ্ধান্ত। ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় যেহেতু বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে, মানুষ অনেক শিক্ষিত হয়েছে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনাও আছে।

তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছি। সবদিক বিবেচনা করে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ থেকে আর সরে আসার সুযোগ নেই।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক যুগ্মসচিব এস এম আসাদুজ্জামান জানান, ইভিএমের প্রতিটি ভোটকক্ষে একটি করে ইভিএম থাকবে। তবে কোনো ধরনের ত্রুটি দেখা গেলে ‘স্ট্যান্ডবাই’ থাকবে তিনটি করে ইভিএম।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে গড়ে পাঁচটি ভোটকক্ষ থাকে। ইভিএমের জন্য ৪০০-৫০০ ভোটারের জন্য প্রতি ভোটকক্ষে একটি ইভিএম রাখা হবে। ভোটের জন্য কমপক্ষে সাড়ে চার হাজার ইভিএম লাগবে। এর দ্বিগুণের বেশি প্রস্তুত রাখা হবে জরুরি প্রয়োজনে।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, ইভিএম এই ছয়টি আসনে দেয়ার মতো আমাদের সকল প্রস্তুতি আছে। আগামী ৩০ তারিখের মধ্য আমাদের চাহিদা অনুয়ায়ী সকল ইভিএম আমরা পেয়ে যাবো। আমাদের বেজমেন্টে (ইসি ভবন) বসে প্রস্তুতি নেয়া হবে। সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের কর্মকর্তারা, আমাদের টেকনিক্যাল পারসান নির্বাচন কমকর্তারা মিলেই এ কাজটা করবে। পোলিং অফিসারদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

বিভাগ - : জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন