July 21, 2019
  • লক্ষ্য এখন পুষ্টি চাহিদা পূরণ: প্রধানমন্ত্রী
  • খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৫ সেপ্টেম্বর
  • সেই গবেষকের পক্ষে সরব দেশ, নীরব ঢাবি শিক্ষক সমিতি!
  • ‘সরকারি সেবামূলক অফিস দালালমুক্ত করা হবে’
  • রিফাত হত্যাকাণ্ড : এবার রিশান ফরাজীও গ্রেফতার
  • সূচকের উত্থান চলছে লেনদেন
  • জাপানে অ্যানিমেশন স্টুডিওতে অগ্নিকাণ্ডে ৩৮ জন দগ্ধ
  • খুলনায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পাঁচজনের ফাঁসি
  • রিফাত হত্যা, মিন্নিকে নিয়ে গেছে পুলিশ
  • নীলক্ষেত অবরোধ ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এবার ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার ভোট

bpp
বাংলার নিউজ ডট কমঃ কোনো ধরণের চুক্তি ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে ব্রিটিশ এমপিরা। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বুধবার এই ভোটাভুটিতে ৩১২ জন এমপি প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, আর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩০৮ জন।

তবে এই ভোটের ফলাফল সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয় এবং ইইউ ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি এখানে নাকচ করা হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ফের ভোটাভুটিতে যাচ্ছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট, যেখানে এমপিরা ঠিক করবেন ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আরো সময় চাওয়া হবে কিনা।

গণভোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ইইউ ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যাওয়ার কথা। বৃহস্পতিবারের ভোটাভুটিতে যদি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেনে এমপিরা এবং ইইউ তাতে সম্মত হয়, তাহলে আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৯ মার্চের মধ্যে আর যুক্তরাজ্যকে ইইউ ছাড়তে হবে না।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অল্প কিছু সময় বাড়তে পারে, আবার অনেক বেশি সময় বাড়তে পারে। বিষয়টি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ব্রেক্সিট চুক্তির ওপর, যে চুক্তিতে ২০ মার্চের মধ্যে ইইউকে একমত হতে হবে।

ইইউ ছেড়ে গেলে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ব্রিটেন একটি সুবিধাজনক চুক্তি করতে চাইছে। ইইউয়ের দেশগুলোতে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও কোম্পানিগুলো কী ধরনের সুবিধা পাবে – সেটিও একটি বিষয়।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে ইইউয়ের সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর একটি খসড়া চুক্তি করেছিলেন, যা ব্রিটিশ পার্লামেন্ট জানুয়ারি মাসের এক ভোটাভুটিতে বাতিল করে দিয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার আরেকটি ভোটাভুটিতে ব্রেক্সিটের জন্য তেরেসা মে’র খসড়া চুক্তিটি দ্বিতীয়বারের তো বাতিল করে দেয় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট।

প্রথমবার যে ব্যবধানে তার চুক্তিটি তখন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, তার নজির ব্রিটিশ সংসদে নেই। তার নিজের রক্ষণশীল দলেরই ১১৮জন এমপি ওই চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।

তারপর গত কয়েক সপ্তাহ ইইউ নেতাদের সাথে নতুন দেন-দরবার করে কিছুটা পরিবর্তিত আকারে চুক্তিটি আবার সংসদে এনেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে।

‘ব্রিটিশ এক্সিট’ নামটিকে সংক্ষেপে ডাকা হচ্ছে ব্রেক্সিট নামে। এটি হচ্ছে ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাবার প্রক্রিয়া। ৪০ বছরের বেশি সময় ইইউয়ের সাথে থাকার পর ২০১৬ সালের ২৩ জুন একটি গণভোট নিয়েছিল যুক্তরাজ্য। সেখানে সেদেশের নাগরিকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল – যুক্তরাজ্যের কি ইইউয়ের সাথে থাকা উচিত নাকি উচিত না?

সেই গণভোটে ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছিল ইইউ ছাড়ার পক্ষে, আর থাকার পক্ষে ছিল বাকি ৪৮ শতাংশ ভোট। সূত্র: বিবিসি

বিভাগ - : আন্তর্জাতিক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন