September 20, 2019
  • ডেঙ্গুর চিকিৎসায় ক্ষতি সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা
  • ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা
  • আছাদুজ্জামানের বিদায়, ডিএমপির দায়িত্বে শফিকুল
  • সংশোধিত পাবলিক ইস্যু রুলসের গেজেট প্রকাশ
  • রিং সাইনের আইপিও লটারির ড্র তারিখ নির্ধারণ
  • রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের শতাধিক সদস্য আটক
  • পর্যটনবান্ধব দেশের র‌্যাংকিংয়ে বড় সাফল্য বাংলাদেশের
  • উখিয়ার পাহাড়ে মাটি খুঁড়ে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
  • শেষ মুহূর্তে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ভারতের চন্দ্রযান ২
  • নোয়াখালীর ঠিকানায় পাসপোর্ট, তুরস্ক যাওয়ার চেষ্টা ৩ রোহিঙ্গার

বুকের হাড় না কেটে হার্টের অপারেশনে সফলতা

gg9900
বাংলার নিউজ ডট কমঃ দেশের সরকারি হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো বুকের হাড় না কেটে সফলভাবে হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার করতে সক্ষম হয়েছেন চিকিৎসকরা। হাটের চিকিৎসায় এটিকে একটি বড় ধরনের সফলতা হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকরা।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিভিডি) ডা. আশরাফুল হক সিয়ামের নেতৃত্বে একটি দলের সদস্যরা সফলভাবে ১২ বছর বয়সী এক শিশুর হৃদযন্ত্রে এ অস্ত্রোপচার করেছেন।

রবিবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় এ অস্ত্রোপচারটি শুরু করা হয়। এটি শেষ হতে সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা।

ডা. আশরাফুল হক সিয়াম বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এটাকে মিনিমাল ইনভ্যাসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এমআইসিএস) বলা হয। এ পদ্ধতিতে বুক না কেটে ছোট ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার করা হয়। এই প্রথম বাংলাদেশে এমন পদ্ধতিতে কোনো সরকারি হাসপাতালে অপারেশন করা হলো।

এ চিকিৎসা পদ্ধতির ঝুঁকি সম্পর্কে ডা. সিয়াম বলেন, হৃদরোগের যে কোনো অপারেশনই ‘রিস্ক ফ্যাক্টর’ বা ঝুঁকি থাকে। কিন্তু ট্র্যাডিশনাল চিকিৎসাপদ্ধতি বা অস্ত্রোপচার পদ্ধতি থেকে এমআইসিএস পদ্ধতিতে ‘রিস্ক ফ্যাক্টর’ তুলনামূলক কম থাকে। কারণ রক্তক্ষরণ কম হয়। অন্যান্য সংক্রমণের আশঙ্কাও তেমন থাকে না।

তিনি জানান, একইসঙ্গে এ পদ্ধতিতে রোগী খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বাড়ি ফিরে যেতে পারেন অস্ত্রোপচারের পরদিনই। সবচেয়ে বড় কথা, এ পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারে রোগীর আতঙ্ক ও প্রাণের ঝুঁকি- দুটিই কমে আসে। সময় এবং খরচও অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় কম।

ডা. সিয়াম বলেন, ‘পৃথিবীর উন্নত কিছু দেশের অল্পসংখ্যক হাসপাতালে এ পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বড় বড় বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও এখনো এ পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করা হয় না। কিছু হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে হলেও সরকারি হাসপাতালে প্রথমবারের মতো আমরাই এ পদ্ধতিতে অস্ত্রোপাচার করলাম। এটি সরকারি খাতের একটি বিশাল সফলতা বলে আমরা মনে করি।’

বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসায় প্রচলিত যে পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করা হয়ে থাকে, তাকে বলে ‘কনভেনশনাল হার্ট সার্জারি’। ওই পদ্ধতিতে বুকের মাঝখান বরাবর কেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু এমআইসিএস পদ্ধতিতে এর প্রয়োজন হয় না। একে হৃদযন্ত্রের ল্যাপরোস্কোপি বলা যেতে পারে। খুব অল্পসংখ্যক সার্জনই এ পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করে থাকেন।

২০১৫ সালে বাংলাদেশে মিনিমাল ইনভ্যাসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে কয়েকজন হৃদরোগীর অস্ত্রোপচার হয়। তবে কোনো সরকারি হাসপাতালে এই প্রথম এ ধরনের অস্ত্রোপচার হলো।

বয়স বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে যেসব রোগীর জন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়, এ পদ্ধতিতে সেসব রোগীকেও অস্ত্রোপচার করা সম্ভব। এতে তাদের অস্ত্রোপচারে ঝুঁকিও কম থাকে।

বিভাগ - : স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন