August 24, 2019
  • মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • গ্রেনেড হামলার মূলহোতাদের ফিরিয়ে আনা হবে : কাদের
  • যুবলীগ নেতা খুন, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ রোহিঙ্গা
  • আমাজনের আগুন নেভাতে এবার সেনাবাহিনী তলব
  • গাজীপুরে ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা, আহত ৪
  • টেবিলে পা রেখে আলোচনায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী!
  • ‘হাইকোর্টের রুলের যথাযথ বাস্তবায়ন চাই’
  • বিমানের মাধ্যমেই পরিচিতি পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
  • বিএসইসি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপনে বিএসইসির প্রতিবাদ
  • শুভ জন্মাষ্টমী, শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিন শুক্রবার

ফের সড়ক অবরোধের চেষ্টা, ৮ কারখানায় ছুটি

ff8
বাংলার নিউজ ডট কমঃ মজুরি কাঠামোর ছয়টি গ্রেড সংশোধন করে পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণার পর গার্মেন্টকর্মীরা কাজে ফিরতে শুরু করলেও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের কয়েকটি কারখানা থেকে বেরিয়ে এসে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের চেষ্টার খবর পাওয়া গেছে।

শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, জামগড়া, নরসিংহপুর ও বেরন এলাকার অন্তত আটটি কারখানায় একদিনের ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য গত নভেম্বরে ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি কাঠামোর কয়েকটি গ্রেড নিয়ে আপত্তি জানিয়ে গত ৬ জানুয়ারি থেকে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখিয়ে আসছিল ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা।

এই প্রেক্ষাপটে মালিক-শ্রমিক ও প্রশসনের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় কমিটি রবিবার বৈঠক করে ছয়টি গ্রেড সংশোধন করে বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।

সাত দিনের মধ্যে সংশোধিত কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করা হবে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ওই বৈঠকের পর শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান।

ঢাকা-১ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এসপি সানা সামিনুর রহমান বলেন, মজুরি বৃদ্ধি হওয়ায় সোমবার শিল্পাঞ্চলের চিত্র বদলে গেছে। শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন। দু’একটি ছাড়া সব কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে বাড়তি নিরাপত্তা হিসেবে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এসপি সামিনুর রহমান বলেন, সকালে শ্রমিকরা স্ব স্ব কারখানায় কাজে যোগ দেয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা ফের বের হয়ে এসে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

এদিকে যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্থলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

কারখানা থেকে বের আসা প্রসঙ্গে মিতালী বেগম নামে এক শ্রমিক বলেন, বিক্ষোভ চলার সময় কারখানা বন্ধ থাকে তাই যে কয়দিন কারখানা বন্ধ থাকে সেদিনগুলোর বেতন দেবে না বলেছে তাই আমরা বের হয়ে আসছি।

আরেক শ্রমিক জসিম বলেন, আমাদের বেতন তো বাড়াইছে শুনলাম কিন্তু কেন যে আবার সবাই বের হয়ে আসলো বুঝলাম না। তাই আমিও তাদের সঙ্গে বের হয়ে আসছি।

আকলিমা নামের আরেক শ্রমিক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আমাদের শ্রমিকরা যে আহত ও নিহত হলো তার তো কোনো বিচার পাইলাম না। এটার কি হবে।

বিভাগ - : জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন