June 17, 2019
  • ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার
  • ইন্টারনেটে ভুয়া খবরের শিকার ৮৬ শতাংশ মানুষ
  • যোগ্য কর্মকর্তাদের হাতে নেতৃত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • রবিবার মধ্যরাতে পঞ্চম ধাপের উপজেলা নির্বাচনের প্রচার শেষ
  • ক্যাম্প থেকে পালিয়ে গ্রামে গ্রামে ঢুকে পড়ছে রোহিঙ্গারা
  • ‘আরো আড়াই লাখ মেট্টিক টন ধান কিনবে সরকার’
  • আজ জাতীয় শিশু পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি
  • বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ
  • সূচকের পতনে চলছে লেনদেন
  • ১৯ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক

নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল শুরু

pnp
বাংলার নিউজ ডট কমঃ শুরু হয়েছে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা। যার মাধ্যমে মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন করা যাবে। এতে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক,এয়ারটেল ও টেলিটকের গ্রাহকেরা একে অন্যের নেটওয়ার্কে গিয়ে তাদের কলরেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু নম্বর থাকবে আগেরটাই।

অপারেটর পরিবর্তন করতে গ্রাহককে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোনের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যেতে হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় ফি প্রদান ও তথ্যবালী করে পুরনো নম্বর সম্বলিত নতুন সিম দেয়া হবে। সোমবার থেকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই সেবা চালু করেছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর রমনায় বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থার চেয়ারম্যান জহুরুল হক। তিনি বলেন, এখন থেকে এই সেবা চালু হলো। এক অপারেটরের নম্বরে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যাবে। গ্রাহক যে অপারেটর সেবা পছন্দ করবেন, বিনা দ্বিধায় সেই অপারেটর বদল করতে পারবেন। এ জন্য নিজের ফোন নম্বর পাল্টাতে হবে না। এ সেবা প্রবর্তনের ফলে মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে গুণগত সেবা প্রদানের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেন, সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ১৭ জন গ্রাহক এই সেবা গ্রহণের মাধ্যমে অপারেটর পরিবর্তন করেছেন। আজ থেকে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো। এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

জহুরুল হক আরো বলেন, এটি পরিবর্তনের জন্য গ্রাহককে এখন যে টাকা দিতে হচ্ছে, তার হার ধীরে ধীরে কমানো হবে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান লাভ বেশি করলে এই টাকার হার আরো কমিয়ে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার বিভিন্ন বিভাগের কমিশনার, মহাপরিচালক, পরিচালক ও এমএনপি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ইনফোজিলিয়ন।

বাংলাদেশে এমএনপি চালুর জন্য গত বছরের জুলাই মাসে নীতিমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

অপারেটর বদলাতে গ্রাহককে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের (যেটায় যেতে আগ্রহী) কাস্টমার কেয়ার বা সেবাকেন্দ্রে যেতে হবে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু থাকায় গ্রাহকদের ছবি লাগবে না। কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে নির্ধারিত ফি জমা দিলে গ্রাহককে নতুন সিম দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সিম চালু হওয়ার কথা। একবার অপারেটর বদলালে গ্রাহককে নতুন অপারেটরে ৯০ দিন থাকতে হবে।

জুলাই মাসে এমএনপি নীতিমালা চূড়ান্ত করার সময় বলা হয়েছিল—অপারেটর পরিবর্তনে গ্রাহককে ৩০ টাকা ফি বা মাশুল দিতে হবে। অবশ্য চালুর আগে তা বাড়িয়ে ৫০ টাকা করেছে বিটিআরসি। এ টাকা পাবে ইনফোজিলিয়ন ও বিটিআরসি। অবশ্য এর ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আছে। ফলে গ্রাহকের ফি দাঁড়াচ্ছে ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া সিম পরিবর্তনের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১০০ টাকা কর আছে। সব মিলিয়ে গ্রাহকের ফি দাঁড়াচ্ছে ১৫৮ টাকা।

অবশ্য দ্রুত (২৪ ঘণ্টার মধ্যে) এমএনপি সেবা নিতে ১০০ টাকা বাড়তি দিতে হবে গ্রাহককে। এর ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আছে। যদিও অতি জরুরি ক্ষেত্রে পোস্টপেইড গ্রাহক ছাড়া অন্য গ্রাহকদের বাড়তি টাকা দিয়ে দ্রুত সেবা নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে মনে করছে ইনফোজিলিয়ন।

বিভাগ - : তথ্য ও প্রযুক্তি

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন