March 22, 2019
  • ‘কুমুদিনী ট্রাস্টের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা’
  • ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এবার ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার ভোট
  • ‘নিজেদের দেশের মানুষকে ধোঁকা দিতে আরসিবিসি মামলা করেছে’
  • ‘গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি’
  • অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে খালেদার আপিল
  • নিউলাইনের আইপিও লটারির তারিখ নির্ধারণ: ২৭.৭৫ গুন আবেদন জমা
  • কাদেরের শারীরিক অবস্থা ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে
  • ‘৭ মার্চের ভাষণে ছিল জাতি ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ঘোষণা’
  • নারী দিবসে বার্লিনে পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা
  • কারচুপি রোধে ইভিএম ব্যবহার করতে হবে: সিইসি

ডাকসুর মনোনয়নপত্র বিতরণ মঙ্গলবার শুরু

dd
বাংলার নিউজ ডট কমঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দেওয়া আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

তবে কাল মনোনয়নপত্র নিচ্ছে না জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদলের নেতারা বলেছেন, কাল থেকে তারা মনোনয়নপত্র নেবেন না। হলের বাইরে ভোটকেন্দ্র ও প্রার্থিতার বয়সসীমা বাতিলসহ দাবি তারা জানিয়েছেন। দাবি আদায়ে শিগগিরই সাংগঠনিক কর্মসূচি দেবে সংগঠনটি।

সোমবার পৌনে ১২টার দিকে চতুর্থ দিনের মতো মধুর ক্যানটিনে গিয়েছিলেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। নেতা-কর্মীদের নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী৷ বেলা একটা পর্যন্ত তাঁরা মধুর ক্যানটিনে ছিলেন।

১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান। এক প্রশ্নের জবাবে আকরাম বলেন,‌‘আমরা শেষ পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে ইতিবাচক থাকতে চাই। আমরা এখনো টেকসই সহাবস্থান বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের কাছে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। প্রশাসন যদি তাদের একগুঁয়ে আচরণ অব্যাহত রাখে, এ বৈরী আচরণের আমরা প্রতিবাদ জানাব। কিন্তু আমাদের সর্বশেষ অবস্থান, ডাকসু নির্বাচনের প্রতিটি ধাপের শেষ পর্যন্ত আমরা ইতিবাচক থাকতে চাই।’

টেকসই সহাবস্থান নিশ্চিতে নির্বাচন তিন মাস পেছানো, বয়সসীমা বাতিল, হলের বাইরে ভোটকেন্দ্র, নির্বাচন ঘিরে গঠিত কমিটিগুলোর পুনর্গঠন করে নিরপেক্ষ শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি ও ডাকসুর পুনঃতফসিল দাবি করেন আকরাম।

তিনি বলেন, ‘ডাকসুকে রাষ্ট্রক্ষমতার মতো দখল করার অভিপ্রায়ে প্রশাসন জাতীয় নির্বাচন কমিশনারদের মতো আচরণ করলে সেটি হবে দুঃখজনক। দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

এর আগে প্রায় নয় বছর পর গত বুধ, বৃহস্পতি ও শনিবার মধুর ক্যান্টিনে গিয়েছিলেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। প্রথম দিন ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন অবশ্য তেমন কিছু ঘটেনি। আজ চতুর্থ দিনের মতো মধুর ক্যানটিনে এলে তাদের ঘিরে স্লোগান দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে লাইব্রেরি কমপ্লেক্সের দাবিতে ছাত্রলীগের মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা যোগ দিলে স্লোগান বন্ধ হয় এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বেলা একটা পর্যন্ত মধুর ক্যানটিনে নির্বিঘ্নে সময় কাটান।

বিভাগ - : শিক্ষাঙ্গন

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন