March 22, 2019
  • ‘কুমুদিনী ট্রাস্টের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা’
  • ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এবার ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার ভোট
  • ‘নিজেদের দেশের মানুষকে ধোঁকা দিতে আরসিবিসি মামলা করেছে’
  • ‘গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি’
  • অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে খালেদার আপিল
  • নিউলাইনের আইপিও লটারির তারিখ নির্ধারণ: ২৭.৭৫ গুন আবেদন জমা
  • কাদেরের শারীরিক অবস্থা ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে
  • ‘৭ মার্চের ভাষণে ছিল জাতি ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ঘোষণা’
  • নারী দিবসে বার্লিনে পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা
  • কারচুপি রোধে ইভিএম ব্যবহার করতে হবে: সিইসি

কারচুপি রোধে ইভিএম ব্যবহার করতে হবে: সিইসি

hh77
বাংলার নিউজ ডট কমঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভর্তি বন্ধ করতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়। তারপরও সামাল দেয়া যায় না। তাই কারচুপি রোধে ইভিএম ব্যবহার শুরু করতে হবে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের শুক্রবার প্রশিক্ষণ (টিওটি) কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

নূরুল হুদা বলেন, পরিবেশ-পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং আইন আরো কঠোর হচ্ছে। এখন আমাদের আচরণবিধি তৈরি করতে হয়, নির্বাচনে আইন প্রণয়ন করতে হয়, আমাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়। তারপরও সামাল দেয়া যায় না। এই পরিস্থিতিতে আমাদের উত্তরণের দরকার।

তিনি বলেন, কোন দেশে আছে যে, সেনাবাহিনী নির্বাচন পরিচালনার জন্য নিয়োজিত হন? নির্বাচন করতে যাবে রাজনৈতিক দল, যারা দেশ পরিচালনা করবেন। জনগণ দেশের মালিক, তারা ভোট দিতে যাবেন এবং আমরা যারা দায়িত্বে থাকবো, আমরা নির্বাচন পরিচালনা করবো। ভোটাররা ভোট দেবে, ভোট দিয়ে চলে যাবে, কোনো সমস্যা থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, সমাজে একটা অনিয়ম প্রবেশ করে, সেটাকে প্রতিহত করার জন্য আরেকটা আইন তৈরি করা হয়। তাই আগের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করার সুযোগ বন্ধে ইভিএম চালু করা হবে।

রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির জন্য কারা দায়ী, সেটা বলার সুযোগ নির্বাচন কমিশনের নেই উল্লেখ করে সিইসি বলেন, কারা সেজন্য দায়ী, কাদের কী করা প্রয়োজন, সেই শিক্ষা দেয়ার ক্ষমতা, যোগ্যতা কমিশনের নেই। কী কারণে এগুলো হচ্ছে তা বলারও কোনো সুযোগ নেই। সবাই মিলে বিষয়টি দেখতে হবে। তাহলেই অবস্থার উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, গোপনীয় কাগজ নেই, গোপনীয় সলাপরামর্শ নেই, গোপনীয় কোনো বিষয় নেই। শুধু গোপনীয় একটি কক্ষ আছে, যেখানে ভোটাররা ভোট দেবেন। এ ছাড়া নির্বাচন পরিচালনার সবকিছু স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন। তথ্য-উপাত্ত, পরিবেশ-পরিস্থিতি সবকিছু ভোটার ও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

ইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনমুখী করার ব্যাপারে আপনাদের ভূমিকা আছে। সুষ্ঠু নির্বাচনমুখী করার ভূমিকাও আপনাদের রয়েছে। আপনাদের আচারে, আচরণে, ব্যবহারে, কার্যক্রমে, যখন একটা অবস্থান সৃষ্টি হবে, তখন নির্বাচনের পরিবেশ-পরিস্থিতি ভালো হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, যারা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন, তাদের কোনো পক্ষ নেই। তাদের পক্ষ হলো, নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। কে কোন দল করে, কার প্রভাব বেশি, কার রাজনৈতিক পরিচয় কী– এসব মোটেও বিবেচ্য বিষয় নয়। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করতে হবে।

গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। যে হেরে যাবে, তার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। আর যে জিতে যাবে, তার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। এই হেরে যাওয়া আর জিতে যাওয়ার মাঝে আপনাদের দুর্বলতা থাকা চলবে না।

অনুষ্ঠানে ইটিআইয়ের ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এবার পাঁচ ধাপে দেশের ৪৯২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ করবে ইসি। প্রথম ধাপে আগামী ১০ মার্চ, দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ ও পঞ্চম ধাপে ১৮ জুন ভোটগ্রহণ করবে কমিশন।

বিভাগ - : জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন