February 18, 2019
  • চারলেন হচ্ছে এলেঙ্গা-রংপুর সড়ক
  • ব্রেক্সিট আর ইহুদিবিদ্বেষ, লেবার পার্টি ছাড়লেন সাত এমপি
  • নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়: ইসি
  • মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাত
  • ডাকসুর মনোনয়নপত্র বিতরণ মঙ্গলবার শুরু
  • রাজধানীতে ডাস্টবিন থেকে গুলি-গ্রেনেড উদ্ধার
  • অভিজিৎ হত্যার ৪ বছর পর চার্জশিট দিল পুলিশ
  • জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে সচেষ্ট হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • মঙ্গলবার রাজধানীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে
  • নিউ লাইন ক্লোথিংসের আইপিও আবেদন শুরু

ইসির সিদ্ধান্ত ইউপি ও পৌর আইনের সাথে সাংঘর্ষিক

ecbd2
বাংলার নিউজ ডট কমঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থানীয় সরকার পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা মেয়ররা স্বপদে বহাল থেকে প্রার্থী হতে পারবেন না বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) আইনের সাথে সাংঘর্ষিক।

২৪ নভেম্বর ইসির ৪০তম কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারি সুবিধাভোগীরা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইলে তাদের পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।

তবে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) ও স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন অনুযায়ী, এই দুটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেয়ররা পদে থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর মেয়র বা চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিতে হবে।

তবে এ বিষয়ে মাঠ কর্মকর্তাদের লিখিত কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি, মৌখিক নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইসির মতে, লিখিত নির্দেশ দেয়া হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ আদালতে গিয়ে মামলা করে নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে পারেন।

এ নিয়ে ওই দিন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছিলেন, আগের নির্বাচনগুলোয় অনেকেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পদে থেকে নির্বাচন করেছেন এবং এ সংক্রান্ত মামলায় একই বিষয়ে আদালত থেকে দুই ধরনের নির্দেশ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, তবে কমিশন মনে করে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রতিনিধিদের পদ লাভজনক। আর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী সরকারের লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। এই বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হবে।

কিন্তু পৌরসভা আইনের ১৯/২ ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি মেয়রপদে থাকার অযোগ্য হবেন। ৩৩ ধারায় বলা আছে, কোনো মেয়র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মেয়রের পদ শূন্য ঘোষিত হবে।

পৌরসভা আইনের ১৯/২ ধারা ও ৩৩ ধারার অর্থ হলো, নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র পদে থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের চেয়ারম্যান বা মেয়রের পদ ছেড়ে দিতে হবে। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেই মেয়র পদে থাকার অযোগ্য হবে।

ইউনিয়ন পরিষদ আইনে বলা আছে, নির্বাচিত চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে হলে চেয়ারম্যান পদে থাকার যোগ্য হবেন না। যার অর্থ, ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র পদে থেকে কেউ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁদের চেয়ারম্যান বা মেয়রের পদ ছেড়ে দিতে হবে।

কিন্তু বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ইসির নির্দেশনা কার্যকর হলে ইউপি, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেয়ররা পদে থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাদেক হোসেন খোকাসহ বেশ কয়েকজন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ না মেনে নির্বাচনে প্রার্থী হন। পরে আদালত সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না বলে রায় দিলেও পৌর মেয়ররা পদে থেকে নির্বাচন করতে পারবেন বলে রায় দেন।

এছাড়া ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে চারজন পৌর মেয়র পদে থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বিভাগ - : জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন