December 12, 2019
  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
  • চক্রান্তকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে
  • বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতনেও ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার
  • লবণ নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা
  • ৩৯তম বিসিএসে ৪ হাজার ৪৪৩ চিকিৎসক নিয়োগ
  • কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী
  • যুবলীগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মিটিং ডেকেছেন : ওবায়দুল কাদের
  • ভুল বোঝাবুঝিতেই সীমান্তে দুর্ঘটনা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ
  • তালিকাভুক্ত এবং আইপিও কোম্পানি অডিট করতে নতুন নির্দেশনা

ইটিএফ ফান্ড আইনের চুড়ান্ত অনুমোদন

bsec-logo
বাংলার নিউজ ডট কমঃ অবশেষে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডকে (ইটিএফ) কালেকটিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কিম হিসেবে চালু ইটিএফ রুলস, ২০১৬ এর চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। শিগগির এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৫৭৭ তম কমিশন সভায় এআইনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে কমিশনের ৫৭৪তম সভায় কিছু সংশোধনীসহ খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

কালেকটিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কিমের আওতায় ইটিএফ বে-মেয়াদি হিসেবে গঠিত হলেও স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে। ফান্ডে ন্যূনতম আকার হবে ৫০ কোটি টাকা। তবে অথরাইজড পার্টিসিপেন্টসের মাধ্যমে ক্রিয়েশন ও রিডেম্পশন দ্বারা ফান্ডের আকার পরিবর্তন সম্ভব হবে।

এছাড়া এই ফান্ডের ক্ষেত্রে স্টক ব্রোকার/ স্টক ডিলার; যারা অথরাইজড পার্টিসিপেন্টস হিসেবে কাজ করবেন। তারা মার্কেট মেকারের ভূমিকাও পালন করবেন। এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড মূলত ইনডেক্সভিত্তিক ফান্ড। যা জেনারেল ইনডেক্স অথবা ইসলামিক ইনডেক্স বেসড হতে পারে। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমেই মূলত ফান্ড গঠিত হবে। তবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ফান্ড গঠিত না হলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে পাবলিক অফারের মাধ্যমেও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

যেহেতু ফান্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে সেহেতু ফান্ডের এনএভি ও বাজারের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হলে অথরাইজড পার্টিসিপেন্ট গণ আর্বিট্রেজ ফাঙ্কশন পালন করবে।

বিভাগ - : শেয়ারবাজার

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন