March 22, 2019
  • ‘কুমুদিনী ট্রাস্টের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা’
  • ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এবার ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার ভোট
  • ‘নিজেদের দেশের মানুষকে ধোঁকা দিতে আরসিবিসি মামলা করেছে’
  • ‘গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি’
  • অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে খালেদার আপিল
  • নিউলাইনের আইপিও লটারির তারিখ নির্ধারণ: ২৭.৭৫ গুন আবেদন জমা
  • কাদেরের শারীরিক অবস্থা ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে
  • ‘৭ মার্চের ভাষণে ছিল জাতি ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ঘোষণা’
  • নারী দিবসে বার্লিনে পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনা
  • কারচুপি রোধে ইভিএম ব্যবহার করতে হবে: সিইসি

আসামে বিষাক্ত মদ পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০২

gg6
বাংলার নিউজ ডট কমঃ ভারতের আসাম রাজ্যের গোলাঘাট ও যোরহাট জেলায় বিষাক্ত মদ পানে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শনিবার রাত পর্যন্ত ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুই জেলা মিলিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীনের সংখ্যা ৩৪১ জন।

স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে যোরহাট মেডিক্যাল কলেজে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভর্তি রয়েছে ২২১ জন। গোলাঘাট সিভিল হাসপাতালে মৃতের সংখ্যা ৫৯। ভর্তি রয়েছেন ১১১। এছাড়াও তিতাবর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আটজন।

যারা ভর্তি রয়েছে তাদের অধিকাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিব্রুগড় ও তেজপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে বাড়তি চিকিৎসকদের এই দুই জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে।

কী ভাবে একই দিনে দুই জেলায় বিভিন্ন চা বাগানের এত জন মানুষ বিষাক্ত মদের শিকার হলেন, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

তিনি বলেন, মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও দেয়া হবে। উজানি আসামের বিভাগীয় কমিশনার জুলি সোনোয়াল ঘটনার প্রশাসনিক তদন্ত করছেন। পুলিশ পর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছেন ডিআইজি দিলীপ দে। মৃতদের পরিবারপিছু দু’লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের ঘোষণাও করেছে সরকার।

রাজ্যজুড়ে দেশি মদের ভাটি বন্ধ করা হচ্ছে। রাজ্যে ‘লালি গুড়’ বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মদ তৈরিতে ব্যবহৃত এই লালি গুড়ের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। নুমালিগড়, মুরফুলনি, শ্যামরায়পুর, নাহরবাড়ি-সহ বিভিন্ন স্থানে চা বাগান লাগোয়া মদের ভাটিগুলো ইতোমধ্যেই ভাঙা হয়েছে। পুলিশ গোলাঘাট ও জোরহাট থেকে তিন মদ বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে।

গোলাঘাটের এসপি পুষ্পরাজ সিং জানান, শালমারা বাগানে সঞ্জু ওরাং ও তার মা দ্রৌপদীর বিক্রি করা মদ খেয়ে অনেকে মারা গেছে। মৃত্যু হয়েছে ওই দু’জনেরও। সে কারণে মদ কোথা থেকে আনা হয়েছিল তা জানার কোনো উপায় নেই।

জেলা প্রশাসক জানান, গত ২০ দিন ধরে ওই এলাকায় মদ ও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা প্রসার অভিযান চলেছিল। কিন্তু চা শ্রমিকদের মদ্যপানে রাশ টানা যায়নি।পত্রিকা

বিভাগ - : আন্তর্জাতিক

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন