August 24, 2019
  • মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • গ্রেনেড হামলার মূলহোতাদের ফিরিয়ে আনা হবে : কাদের
  • যুবলীগ নেতা খুন, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ রোহিঙ্গা
  • আমাজনের আগুন নেভাতে এবার সেনাবাহিনী তলব
  • গাজীপুরে ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা, আহত ৪
  • টেবিলে পা রেখে আলোচনায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী!
  • ‘হাইকোর্টের রুলের যথাযথ বাস্তবায়ন চাই’
  • বিমানের মাধ্যমেই পরিচিতি পাবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
  • বিএসইসি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপনে বিএসইসির প্রতিবাদ
  • শুভ জন্মাষ্টমী, শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিন শুক্রবার

‘আপিল চলাকালে দণ্ডিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না’

High-Court
বাংলার নিউজ ডট কমঃ নিম্ন আদালতে দুই বছরের বেশি সাজা হলে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তবে আপিল বিভাগে দণ্ড স্থগিত ও জামিন হলেই কেবল অংশ নিতে পারবে।

দুর্নীতির দায়ে বিচারকি আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা (কনভিকশন অ্যান্ড সেন্টেন্স) স্থগিত চেয়ে আমান উল্লাহ আমানসহ বিএনপির পাঁচ নেতার করা আবেদন খারিজ করে এ সিদ্ধান্ত দেয় হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

বিএনপি নেতা আমান উলাহ আমান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ওয়াদুদ ভূঁইয়া, মশিউর রহমান ও মোহাম্মদ আব্দুল ওহাবের পক্ষে দণ্ড ও সাজা বাতিলের ওই আবেদন করা হয়েছিল।এর ফলে এই পাঁচ নেতা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কারও দুই বছরের বেশি সাজা বা দণ্ড হলে সেই দণ্ড বা সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল বা স্থগিত করে তাকে জামিন দেয়।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। এর আগে গতকাল এই পাঁচ নেতার দণ্ড স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লা আমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম। ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আহসানুল করীম ও খায়রুল আলম চৌধুরী। ওয়াদুদ ভুঁইয়া ও আব্দুল ওহাবের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ও ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম। মশিউর রহমানের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।

পরে খুরশীদ আলম খান জানান, আপিলের পর জামিন নিয়ে জরিমানা স্থগিত হলেও কারাদণ্ড স্থগিত হয়নি। তাই সাজা সাসপেন্ড চেয়ে আবেদন করেছেন তারা। পাঁচটি আবেদনের ওপর সোমবার শুনানি শেষ হয়।

আদালতের এই আদেশের ফলে দুই দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়ার পথও আটকে গেল।

বিভাগ - : জাতীয়

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন